ঘরে বসে IELTS এর প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন ?#MNEMONIC IELTS




ঘরে বসে IELTS এর প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন এবং একজন আইইএলটিএস ক্যান্ডিডেট এর রুটিন কেমন হওয়া উচিৎ?

তাহলে আসুন আর দেরি না করে শুরু করা যাক। 

বাংলাদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার রয়েছে যেখানে IELTS কোর্স চালু রয়েছে। আপনি অনলাইন বা অফলাইনে কোর্সগুলো করতে পারেন। এসব প্রতিষ্ঠানে আপনাকে  IELTS সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে গাইডলাইন দেওয়া হবে। তবে আপনি চাইলে প্রাইভেটও পড়তে পারেন। অথবা নিজে নিজে সেল্ফ প্রিপারেশনও নিতে পারেন। 

বাংলাদেশে অনেক কোচিং সেন্টার থাকলেও বেশ কিছু জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার রয়েছে যেখান থেকে 

আপনি বেশ ভালো গাইডলাইন পাবেন। 

সেগুলো হলো-

Banglay IELTS ( online based) 

British Council Bangladesh 

St Jons Tutorial

Salt Lab

এছাড়া আরও অনেক কোচিং সেন্টার ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আপনি আপনার পছন্দ অনুসারে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারেন। আমি এতো বেশি কোচিং সেন্টার রেকোমেন্ডেড করবো না, কারণ পড়ানোর মান চেইঞ্জ হয়, আর আপনার উওর নির্ভর করবে,আপনি অনলাইন অর অফলাইনে পড়বেন।

চলুন এবার জেনে নেই IELTS প্রস্তুতির জন্য কোন বই গুলো আমাদের ফলো করা উচিৎ। 

IELTS পরীক্ষার জন্য বাজারে অনেক বই রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বই সংগ্রহ করতে হবে এবং কিছু বইয়ের পিডিএফ ডাউনলোড করে নিতে পারেন। 

IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য উল্লেখযোগ্য বইসমূহ হলো-

  1. The Official Cambridge Guide (7-17)
  2. Cambridge Vocabulary for IELTS with answers
  3. Common Mistakes in English (English version)
  4. Makkar IELTS speaking and writing 

এবার চলুন জেনে নেই ঘরে বসে কি ভাবে  IELTS এর প্রস্তুতি নিবেন?

ঘরে বসে IELTS প্রস্তুতির জন্য যে বিষয়গুলো আপনার মাথায় রাখবেন রাখবেন সেগুলো হলো...

১. আপনার মনস্থির করুন

আপনি কি সত্যিই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ বা বিদেশে পাড়ি জমাতে চান কিনা সে বিষয়টি নিজে থেকেই নিজেই সর্বপ্রথম নিশ্চিত করুন। যদি আপনি মনস্থির করেন তবে IELTS প্রস্তুতির কথা ভাববেন। আর ঘরে বসে প্রস্তুতি নিতে গেলে আপনাকে আরও দৃঢ় মানসিকতার হতে হবে।

২. ভালো ইন্টারনেট সংযোগ

প্রযুক্তির কল্যাণে আপনি চাইলে ঘরে বসেই IELTS এর প্রস্তুতি নিতে পারেন। এর জন্য আপনার ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন। IELTS কি, কেন, প্রশ্ন কাঠামোসহ প্রাথমিক ধারণা আপনি ঘরে বসেই নিতে পারেন। মনে রাখবেন যথাযথ প্রস্তুতি না নিলে কখনওই ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। 

৩. আইইএলটিএস এর বই কিনুন

IELTS এর জন্য যা কিছু প্রয়োজন সবই বর্তমানে ইন্টারনেট নির্ভর, আপনাকে শুধু খুঁজে বের করতে হবে। আপনি চাইলে বইয়ের পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারেন তবে কিছু বই কেনা জরুরি। আপনি ক্যামব্রিজ সিরিজের (৭-১৮) কিনে ফেলুন। এছাড়া বাজারে আরও অনেক বই রয়েছে সেগুলো কিনুন। লিস্ট উপরে দেওয়া আছে।

৪.প্রশ্ন কাঠামো গুলো দেখুন

বই কিনলেই হবে না পুরো প্রশ্ন কাঠামো ও মানবন্টন সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা নিন। এগুলো বইয়ের প্রথমেই পাবেন। ভালোভাবে দেখুন, ধারণা রাখুন। প্রশ্ন পদ্ধতি, সময়, মানবন্টন, মডিউল ফরম্যাট, ব্যান্ড স্কোর এগুলো জেনে রাখুন। এটা নিয়ে আমাদের আগের পোস্ট দেখতে পারেন।

৫.আপনার দুর্বল জায়গা খুঁজে বের করুন

আপনি কোন বিষয়ে দুর্বল সেটি খুঁজে বের করা জরুরি। আপনার বেসিক দুর্বল হলে আপনি IELTS প্রস্তুতির ৬ মাস আগে থেকে বেসিক ঠিক করুন। গ্রামার ভালোভাবে রপ্ত করুন, সবকিছু বুঝে পড়ুন। মুখস্থ করতে যাবেন না। আবার অন্যগুলোতে দুর্বল থাকলে তার প্রস্তুতি নিন। 

৬.আপনার সময় বন্টন করুন

IELTS এর জন্য সময় বন্টন বেশ জরুরি। রিডিং, রাইটিং, স্পিকিং, লিসেনিং মডিউল অনুসারে সময় ভাগ করে নিন। আলাদাভাবে সময় বরাদ্দ করে প্রস্তুতি নিন প্রথম থেকেই। তাছাড়া পড়াশোনার জন্য ভোরের সময় ও রাতের সময় কাজে লাগাতে পারেন। যতবেশি পারবেন সময় দিন।

৭.অনলাইন কোর্স( এটা আমি হাইলি রেকোমেন্ডেড করবো)

বর্তমানে সবকিছু অনলাইন ভিত্তিক হওয়ায় ঘরে বসে আপনি IELTS কোর্সও করতে পারেন,এটা আপনার সময় বাঁচবে । কি পড়বো, কোথা থেকে শুরু করবো, কিভাবে পড়লে ভালো স্কোর করা যাবে ইত্যাদি বিষয়ে আপনি যখন দ্বিধান্বিত তখন অনলাইনে স্বল্প মূল্যে একটি কোর্স করুন,এবং এর জন্য বাংলাদেশে একমাত্র বেস্ট হলো AIMER'S ।  । এতে আপনি একটি ভালো গাইডলাইন পাবেন। বাহিরে গিয়ে কোর্স করলে সময়, শ্রম উভয়ই নষ্ট হবে৷ তাই ঘরে বসে প্রস্তুতি নিতে চাইলে এটি উপযোগী।  

৮.নিয়মিত চর্চা করুন

নিয়মিত ও নিয়মমাফিক চর্চা না করে IELTS এ কখনও ভালো স্কোর করা সম্ভব নয়। ইংরেজি ভাষার সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। 

৯.ভোকাবুলারি বৃদ্ধি

ভোকাবুলারি বৃদ্ধি করুন নিয়মিত। আপনাকে নিয়মিত এটি চর্চা করতেই হবে। ইউনিক শব্দ শিখুন। IELTS Vocabulary Prep App, IELTS Vocabulary অ্যাপস ব্যবহার করুন যাতে আপনার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়। ভোকাবুলারি নম্বর বৃদ্ধিতে অনেক কার্যকরী।

১০.নিজে নিজে মক টেস্ট দিন

মক টেস্টের মাধ্যমে আপনার যোগ্যতা যাচাই করুন। ঘরে বসে অনলাইনে মক টেস্ট দিন,এটা AIMER'S  এ পেয়ে যাবেন। যতবেশি মক টেস্ট দিবেন ততবেশি আপনার ধারণা বাড়বে। ভুল হলে সেগুলোও সাথে সাথে সংশোধন করুন পরবর্তীতে এগুলো খেয়াল রাখুন।

১১.ওয়েবসাইট

IELTS এর জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখুন। নিয়মিত ব্লগ পড়ুন। এতে নতুন নতুন ধারণা পাবেন।  , IELTS Advantage, IELTS Liz এসব ওয়েবসাইট দেখতে পারেন। 

১২.ইউটিউব চ্যানেল

ইউটিউব চ্যানেল দেখে আপনি IELTS এর বিষয়ে বেশ ভালো ধারণা পাবেন সেই সাথে আপনার দক্ষতা বাড়াতেও কাজে দেবে। , IELTS Liz, IELTS UP, E2 IELTS, Crack-IELTS with Rob, English Speaking Success , Emma IELTS, E2 IELTS, Papa English, ETJ English, Anna English, Ellen Show ইত্যাদি ইউটিউব চ্যানেলগুলো দেখতে পারেন।

এবার আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কি ভাবে আপনি  আইইএলটিএস এর বিভিন্ন পোর্শন গুলাতে ভালো করবেন।

১. Reading এ ভালো করার উপায়

অনেকেই রিডিং অংশটিকে অনেক সহজ মনে করেন তবে আদৌও তা খুব সহজ নয়।তাই বাংলায় আইইএলটিএস ইউটিউব চ্যানেলটা ভিজিট করে তাদের রিডিং প্লে লিস্টা শেষ করুন। রিডিং স্কিল ডেভোলপ করা খুবই জরুরি। এজন্য আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটানা পড়ুন। ভোকাবুলারির নিচে পেন্সিল দিয়ে মার্ক করুন ও পরে দেখে নিন। নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা, জার্নাল, আর্টিকেল পড়ুন। প্রথমে কষ্ট হলেও পরে অভ্যাসে পরিণত হবে৷ তবে কিছু পড়লে সেটার সারমর্ম বোঝার চেষ্টা করুন। যেটুকু পড়বেন সেটাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। 

২.IELTS Writing এ ভালো করার উপায়

রাইটিং এ ভালো করার জন্য আপনাকে বেশি বেশি প্র্যাকটিস করতে হবে, লিখতে হবে। প্রতিদিন ১-২ পাতা লেখার চেষ্টা করুন। যা পড়ছেন তা লিখুন। লেখার সময় বানান, গ্রামার, ভোকাবুলারি এসব বিষয়ে খেয়াল রাখুন। ঘড়ি ধরে লেখার অভ্যাস করুন যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব লিখতে পারেন।Banglay IELTS,  IELTS UP ইউটিউব চ্যালেনটি এ বিষয়ে আপনাকে সহায়তা করবে। 

৩.IELTS Listening এ ভালো করার উপায়

লিসেনিং এর জন্য ভালো শ্রোতা হওয়া জরুরি।প্রথমে আপনি বাংলায় আইইএলটিএস এর ইউটিউব চ্যানেলে গিয়ে লিসেনিং প্লে লিস্টা শেষ করুন তারপর আপনি লিসেনিং এর জন্য বিসিবি সংবাদ, ইংরেজি বিভিন্ন ভিডিও, মুভি, টিভি সিরিজ দেখতে পারেন, গান শুনতে পারেন। মনোযোগ দিয়ে শুনলে আপনি লিসেনিং এ ইমপ্রুভ করতে পারবেন।

৪.IELTS Speaking এ ভালো করার উপায়

স্পিকিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে দ্রুত ইংরেজি বলতে হবে না বরং স্বাভাবিকভাবেই বলুন। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে আপনি কতটা স্পষ্টভাবে ইংরেজি বলতে পারছেন। নিজে নিজে প্র্যাকটিস করুন। Speak English অ্যাপটা ব্যবহার করতে পারেন।

৫.IELTS মক টেস্ট

IELTS পরীক্ষা দেবার আগে কোশ্চেন প্যাটার্নে নিজেকে যাচাই করার জন্য যে পরীক্ষা দেওয়া হয় তাকেই IELTS Mock Test বলে। মক টেস্টে IELTS পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশ্ন কাঠামো অনুসরণ করা হয়। মক টেস্ট দেবার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রস্তুতির বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন ও আরও ভালো করতে পারবেন। এটি মূল পরীক্ষার আগে মডেল টেস্টের অনুরূপ। আপনি নিজেকে যাচাই, নিজের ব্যান্ড স্কোর এসব বিষয়ে বুঝতে পারবেন। কোচিং বা অনলাইনে মক টেস্ট দিতে পারেন। যতবেশি মক টেস্ট দিবেন ততবেশি ভালো করবেন।

এখন আমরা জানবো আইইএলটিএস (IELTS) ব্যান্ড স্কোর হিসাব করা হয় কিভাবে!..

IELTS স্কোর হলো ৯ অর্থাৎ এই পরীক্ষায় ব্যান্ড স্কোর ৯। চারটি অংশে আলাদাভাবে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হয়। এগুলোর গড় করে সম্পূর্ণ একটি স্কোর দেওয়া হয়। আপনার ইংরেজির লেভেল অনুসারে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে 

আপনাকে ব্যান্ড স্কোর দেওয়া হবে। নিচে এই লেভেলটি দেওয়া হলো:

ব্যান্ড স্কোর লেভেল

৯ দক্ষ

৮ খুব ভালো

৭ ভালো

৬ উপযুক্ত

৫ পরিমিতি

৪ সীমিত

৩ অত্যন্ত সীমিত

২ অনিয়মিত

১ ব্যবহারকারী নয়

০ অনুপস্থিত

এবার আমরা জনাবো IELTS পরীক্ষা কেন্দ্রে কি কি জিনিস নিতে পারবো

  • আপনার পাসপোর্ট। অবশ্যই মেয়াদ থাকতে হবে।
  • পেন্সিল,রাবার, শার্পনার নিতে পারবেন।
  • পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বা অন্যান্য ডিভাইস সাথে রাখা যাবে না।

IELTS পরীক্ষার ফলাফল ও মেয়াদ

ব্রিটিশ কাউন্সিল বা আইডিপি যেখানেই পরীক্ষা দিন পরীক্ষার ফলাফল তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটেই পাবেন। সাধারণত পেপার বেইসড পরীক্ষার ফলাফল ১৩ দিনে ও কম্পিউটার বেইসড পরীক্ষার ফলাফল ৫ দিনে দেওয়া হয়। ব্রিটিশ কাউন্সিল বা আইডিপির মূল শাখা থেকে টেস্ট রিপোর্ট ফর্ম আনতে পারেন।

আপনি যে ফলাফল করবেন বা স্কোর পাবেন তার মেয়াদ ২বছর। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আপনাকে আবার পরীক্ষা দিতে হবে। এছাড়াও আপনি আইইএলটিএস এক্সামে জন্য যত বার ইচ্ছে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।

আইইএলটিএস পরীক্ষা কখন হয়

সারা বছরে অন্তত ৪৮টি পরীক্ষার দিন নির্ধারিত  করা হয়ে থাকে। দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে প্রতি মাসে অন্তত ৩ থেকে ৪টি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ পরীক্ষা দিতে আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। 

স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা

প্রথমে আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন দেশে ও কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা করতে চান। কারণ এক এক দেশে পড়াশোনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি খরচ এক এক রকম৷ প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি আলাদা। এজন্য স্করালশিপ পেলে আপনার চাপ অনেকটাই কমবে।

স্কলারশিপ নিয়ে কোন দেশে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এটি সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে। আপনার স্কোর যত ভালো আপনি তত ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। আপনি যে  দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান বা নির্ধারিত না থাকলে সেগুলো বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখতে হবে। ওখানে আপনি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পাবেন। এগুলো দেখে আবেদন করুন। স্কলারশিপ পেতে আপনার ভালো স্কোর, সকল একাডেমিক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট, এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিস, ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স, পাবলিকেশন থাকতে হবে ও আর্থিক সহায়তার আবেদন করতে হবে। সব যাচাই-বাছাই করে বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে সিলেক্ট করবে।

পরিশেষে আমার কিছু কথা

IELTS এমন একটি পরীক্ষা যেখানে পাশ-ফেলের কোনো বিষয় নেই। আপনার ইংরেজিতে দক্ষতা ও পাশাপাশি আপনার পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস আপনাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। তাই আপনার লক্ষ্য স্থির রেখে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য মনস্থির করার পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করা উচিত। এই একটি পরীক্ষার স্কোর দিয়েই বদলে যেতে পারে আপনার জীবন। তাই গুছিয়ে পড়াশোনা করুন। জীবন বদলে দেওয়া একমাত্র এই পরীক্ষায় আপনার স্বপ্ন সত্যি করতে আপনাকে সাহায্য করবে।